March 25, 2026, 1:23 am

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

রাজশাহীর তানোরে তীব্র ঝড়ো বাতাসে ওরাও সম্প্রদায়ের শ্রীশ্রী দূর্গা মন্দির লন্ড-ভন্ড দেখার কেউ নেই!

রুহুল আমীন খন্দকার, ব্যুরো প্রধান :

তীব্র ঝড়ো বাতাসে রাজশাহীর তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের বিনোদপুর গ্রামের শুকান দিঘী পাড়ায় ওরাও সম্প্রদায়ের শ্রীশ্রী দূর্গা মন্দিরটি লন্ড-ভন্ড হয়ে পড়েছে। শুক্রবার ০৬ মার্চ ২০২০ ইং দিবাগত রাত্রে হটাৎ ঝড়ো বাতাসে এই ঘটনাটি ঘটে। সরজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, এই পাকা মন্দিরের ওপরের টিনের ছাওনিসহ ৩ সাইডের ওয়াল একেবারে হুমড়ি খেয়ে প্রতিমার উপরে পড়ে গিয়েছে। নাম মাত্র বাঁকা হয়ে কোন মতে দাড়িয়ে রয়েছে পিছনের ওয়াল, সেটা একটু ধাক্কা খেলেই হুড়মুড়িয়ে পড়ে যাবে যে কোন সময়। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখানে ৩৫টি বাড়িতে প্রায় দু’শোর অধিক লোক বসবাস করে আসছে। তারা সবাই দিনমজুরি কাজ করে অতিকষ্টে জীবন ধারণ করে আসছেন, এরা একেবারে দারিদ্র সিমার নিচে নিম্নবিত্ত ও অসহায়। মন্দিরটি ২০ বছরের পুরনো এর আগে পার্শ্বের পাড়ায় সেটা মাটির ছিল, বর্তমানে নিজস্ব ভাবে অতিকষ্টে নিজেদের কষ্ট অর্জিত অর্থ দিয়ে ৬/৭ বছর আগে মন্দিরটি এই খানে তারা স্থাপণ করেন।এ বিষয়ে শ্রীশ্রী দূর্গা মন্দিরের সভাপতি শ্রী. মানিক মিন্স ও সাধারণ সম্পাদক শ্রী. কার্তিক টপ্পো তাদের অসহায়োত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমরা এই মুহুর্তে মন্দিরটি নিয়ে চরম বিপাকে পড়ে আছি। আবার যে নতুনভাবে ঘর নির্মাণ করে মায়ের পুজো আর্চণা করবো সেই সামর্থ্যটাও আমাদের নেই। এখন মায়ের মাথার উপরে ছাওনিটাও না থাকায় কোন মতে পার্শ্বে ভাংঙ্গা টিন ও পলেথিন দিয়ে মাকে ঢেকে রেখেছি। বর্তমানে দৈনন্দিন পুজো-আর্চণা ও সান্ধা-বাতি দেওয়ায় খুব সমশ্যা হবে। তাই আমরা স্থানীয় সাংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ, সমাজ সেবা অধিদপ্তর সহ সমাজের বৃত্তবানদের কাছে সাহায্য কামনা করছি। তিনারা যেন আমাদের মায়ের মাথার উপরে ছাদের ব্যাবস্থা করে দিয়ে সমাজের বুকে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/৭ মার্চ ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর